৯ম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ: কী আছে সাংবাদিকদের জন্য
* বেতন বৃদ্ধি ৮০-৮৫ শতাংশ
* বৈশাখী ভাতা- ২০% * পত্রিকার জনবল ও প্রচার সংখ্যা অনুপাতে শ্রেনীভূক্তকরণ
* সাংবাদিকদের বেতনের আয়কর নিজেদের দিতে হবে
* অবসরকালীন গ্রাচ্যুইটি সুবিধা দুইটি থেকে কমিয়ে একটি করা হলো।
* বেসরকারি টিভি ও বেতারসহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার জন্য আলাদা ওয়েজবোর্ড ঘোষনার সুপারিশ
সরকার
৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড ঘোষনা করেছে। সংবাদপত্র কর্মীদের বেতনভাতা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট গত
বৃহস্পতিবারে তারিখে আজ ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়।
বৈশাখী ভাতা:
দুই ঈদ বোনাসের পাশাপাশি নতুনকরে যুক্ত করা হয়েছে প্রতিবছর মার্চ মাসের মূল বেতনের ২০% বৈশাখী ভাতা।
![]() |
| সংবাদপত্রের নবম ওয়েজবোর্ড েরোয়েদাদের গ্রেজেট |
আয়কর নিজেদের দিতে হবে
মন্ত্রীসভার সুপারিশ অনুযায়ী সাংবাদিকদের বেতনের আয়কর সাংবাদিকদের নিজেদের পরিশোধ করতে হবে। যদিও ওয়েজবোর্ডে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করবে বলে উল্লেখ আছে।
গ্রাচ্যুুয়িটি ২টি থেকে কমিয়ে একটি
মন্ত্রী সভার সুপারিশ অনুয়ায়ী বিদায়কালীন সময়ে সার্ভিস বেনিফিটের ক্ষেত্রে গ্রাচ্যুইটি দুটির পরিবর্তে একটি করা হয়েছে। অথচ ওয়েজবোর্ডে সুপারিশের মধ্যে আগের মতেই দুটি বহাল রাখা হয়েছে।
বাড়ী ভাড়া ৬৫-৭০%
মন্ত্রীসভার সুপারিশ অনুযায়ী সাংবাদিকদের বেতনের আয়কর সাংবাদিকদের নিজেদের পরিশোধ করতে হবে। যদিও ওয়েজবোর্ডে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করবে বলে উল্লেখ আছে।
গ্রাচ্যুুয়িটি ২টি থেকে কমিয়ে একটি
মন্ত্রী সভার সুপারিশ অনুয়ায়ী বিদায়কালীন সময়ে সার্ভিস বেনিফিটের ক্ষেত্রে গ্রাচ্যুইটি দুটির পরিবর্তে একটি করা হয়েছে। অথচ ওয়েজবোর্ডে সুপারিশের মধ্যে আগের মতেই দুটি বহাল রাখা হয়েছে।
বাড়ী ভাড়া ৬৫-৭০%
বাড়ী ভাড়ার
ক্ষেত্রের মূল বেতনের ৬৫-৭০% শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বেতনক্রম নির্ধারণে চাকুরির মেয়াদকাল অনুযায়ী প্রতি দুই বছরের জন্য
একটি করে সর্বোচ্চ ৫টি ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার কথা বলা আছে। প্রারম্ভিক চাকুরি হলে ১২ মাসের জন্য একটি ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হবে। যুক্ত হবে আগের বেতনের সঙ্গে পাওয়া মহার্ঘভাতাও।
বাস্তবায়ন না করলে সরকারি সুবিধা ও বিজ্ঞাপন নয়
বরাবরের মতো সরকারি সুবিধা পাওয়া ও বিজ্ঞাপন প্রাপ্তির জন্য নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন বাধ্যতামুলক করার সুপারিশ রয়েছে এতে। আগের ধারাবাহিকতায় মনিটরিং টিম থাকার কথাও বলা আছে। বিজ্ঞাপনের রেট হাল নাগাদ করার সুপারিশ আছে।
বরাবরের মতো সরকারি সুবিধা পাওয়া ও বিজ্ঞাপন প্রাপ্তির জন্য নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন বাধ্যতামুলক করার সুপারিশ রয়েছে এতে। আগের ধারাবাহিকতায় মনিটরিং টিম থাকার কথাও বলা আছে। বিজ্ঞাপনের রেট হাল নাগাদ করার সুপারিশ আছে।
আছে বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতারসেহ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার জন্য আলাদা ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ দেয়ার সুপারিশ রয়েছে।
কল্যাণ তহবিলের সুপারিশ
প্রভিডেন্ট ফান্ডের পাশাপাশি পত্রিকা কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহনমূলক কল্যাণ তহবিল প্রতিষ্ঠার সুপারিশও আছে এতে।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের পাশাপাশি পত্রিকা কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহনমূলক কল্যাণ তহবিল প্রতিষ্ঠার সুপারিশও আছে এতে।
গ্রেড নির্ধারণে পত্রিকার জনবল ও পৃষ্ঠার সংখ্যা ফ্যাক্টর
নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো পাঁচটি শ্রেণিতে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার বিন্যাস করেছে। অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো শ্রেণিবিন্যাসে সংবাদপত্র ও সংবাদসংস্থার বার্ষিক গ্রাস আয় ও প্রচার সংখ্যার ভিত্তি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো পাঁচটি শ্রেণিতে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার বিন্যাস করেছে। অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো শ্রেণিবিন্যাসে সংবাদপত্র ও সংবাদসংস্থার বার্ষিক গ্রাস আয় ও প্রচার সংখ্যার ভিত্তি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
তবে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড বার্ষিক গ্রস আয় ও প্রচার সংখ্যা ছাড়াও দৈনিক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে জনবল এবং দৈনিক পত্রিকার পৃষ্ঠার সংখ্যা ভিত্তি হিসেবে সংযোজন করেছে।
যেমন ’ক’ ক্যাটাগরির জন্য গ্রস আয় বার্ষিক ২৫ কোটি বা তদোর্ধ, প্রচার সংখ্যা বাংলা পত্রিকার ক্ষেত্রে ৫০ হাজার ও ইংরেজীর ২৫ হাজার বা তদোর্ধ, বাতা বিভাগে জনবল নুন্যতম ৪০জন, প্রশাসন ও সাধারণ বিভাগ নূন্যতম ৩০জন, ডিটিপি ও প্রেস বিভাগে ৩০ জন এবং পত্রিকার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২ হতে হবে।
‘খ’ ক্যাটাগরির পত্রিকার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২ এবং অন্যান্য ক্যাটাগরির জন্য পৃষ্ঠা সংখ্যা ৮ হতে হবে।
সংবাদ সংস্থার ক্ষেত্রে বার্ষিক গ্রস আয় ১০ কোটি টাকা হতে হবে।
![]() |
| সংবাদপত্রের নবম ওয়েজবোর্ড েরোয়েদাদের গ্রেজেট |
৯ম ওয়েজবোর্ডে ‘ক’ শ্রেনীভূক্ত পত্রিকায় মূল বেতনক্রম হলো- বিশেষ
গ্রেড-৬৫৫৭৫-২৫২০*১৫ টাকা, প্রথম গ্রেড-৫৭৩৩০-২১৬০*১৫ টাকা, দ্বিতীয় গ্রেড-৪৩৩৯১-১৮৯০*১৫ টাকা, তৃতীয় গ্রেড-২৯৪৬২-১৬৬৫*১৫ টাকা, চতুর্থ গ্রেড-২৩৩১০-১২৯৫*১৫ টাকা ও পঞ্চম
গ্রেড-২০২৩৬-১১১০*১৫ টাকা।
অস্টম ওয়েজবোর্ডে পাঁচটি গ্রেডে মুল বেতন ও ইনক্রিমেন্ট ছিল যথাক্রমে-৩৫৮৭৫-১৪০০টাকা, ৩১৮৫০-১২০০ টাকা, ২৪১০৬-১০৫০ টাকা, ১৫৯২৫-৯০০ টাকা, ১২৬০০-৭০০ টাকা ও ১০৯২৮-৬০০ টাকা।
‘খ’ শ্রেনী ভূক্ত পত্রিকার বেতনক্রম হলো-বিশেষ গ্রেড-৫৭৩৩০-২১৬০*১৫ টাকা, প্রথম গ্রেড-৪৩৩৯১-১৮৯০*১৫ টাকা, দ্বিতীয় গ্রেড-২৮৬৬৫-১৬২০*১৫ টাকা, তৃতীয় গ্রেড-২৩৩১০-১২৯৫*১৫ টাকা, চতুর্থ গ্রেড-২০২৩৬-১১১০*১৫ টাকা ও পঞ্চম গ্রেড-১৭১৫৯-৮৩৩*১৫ টাকা।
![]() |
| সংবাদপত্রের নবম ওয়েজবোর্ড েরোয়েদাদের গ্রেজেট |
![]() |
| সংবাদপত্রের নবম ওয়েজবোর্ড েরোয়েদাদের গ্রেজেট |
১ মার্চ ২০১৮ থেকে ঘোষিত ৪৫%
মহাঘ্য ভাতা ৯ম ওয়েজবোর্ডের বেতন স্কেলের সঙ্গে যুক্ত হবে।
নতুন বেতনক্রম নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদের গেজেট নোটিশফিকেশনের
দিন থেকে তা কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই ওয়েজবোর্ডের ঘোষনার মধ্য দিয়ে আগের অস্টম ওয়েজবোর্ড
রহিত হয়েছে।
ওয়েজবোর্ডের কার্যক্রম
বিচারপতি মো: নিজামুল হককে চেয়ারম্যান করে ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি ৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। ২৮ অক্টোবর ২০১৮ সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেয় এই বোর্ড। এ নিয়ে সরকার দুই দফায় মন্ত্রী সভা কমিটি গঠন করে পরামর্শ নেয়।
সংবাপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষনা বন্ধ রাখতে
উচ্চ আদালতের শরনাপন্ন হলে আদালত অস্থায়ী
নিষেধাজ্ঞারোপ করেছিল। আবার আপীল করা হলে
আদালত সেই নিষেধাজ্ঞাদেশ স্থগিত করার পর শনিবার নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের গেজেট প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ সালের ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫ ধারা মোতাবেক এই সংবাপত্র মজুরি বোর্ড গঠন ও এর সুপারিশ সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
![]() |
| সংবাদপত্রের নবম ওয়েজবোর্ড েরোয়েদাদের গ্রেজেট |
বাস্তবায়ন নিয়ে অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে অনেক সংবাদপত্রে অস্টম
ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদই বাস্তবায়ন নেই। ভুয়া
বাস্তবায়নের কাগজ ও প্রচার সংখ্যা দেখিয়ে
সরকারের বিজ্ঞাপন তালিকায় নিজেদের নাম
অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ রযেছে। নবম ওয়েজবোর্ড্ রোয়েদাদ বাস্তবায়নে সরকার নতুন কোন কৌশল
অবলম্বন করে বাস্তবাযনে পত্রিকাগুলোকে বাধ্য করতে পারে কিনা সেটাই দেখার
বিষয়। তবে এই কড়াকড়ি আরোপের আগে সরকারকে অবশ্যই ভূয়া সংবাদপত্র, ভুয়া
প্রচারসংখ্যা দেখানোর অপকর্মটি যে কোন প্রকারে বন্ধ করতে হবে।
ওয়েজবোর্ড আলাদা কোন আইন ?
না, সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ আলাদা কোন আইন নয়। এটি বাংলাদেশ শ্রম আইন- ২০০৬ এর অধীনে গঠিত মজুরি কাঠামো। যার জন্য আইনের ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৬,১৪৭, ১৪৮ ও ১৪৯ প্রযোজ্য। আইনের একাদশ অধ্যায়টি শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড সম্পর্কিত। তবে ওয়েজবোর্ডের মজুরি নির্ধারণের যৌক্তিকতাসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি দেখানোর জন্য সংবাদপত্রের বিভিন্ন জনবলের পদ-পদবী, কাজ ও দায়িত্বের একটি সাধারণ বর্ণনা ওয়েজবোর্ডে দেয়া থাকে। বেশ কিছু সুপারিশও থাকে এতে । এগুলো কোন অবশ্য পালনীয় কোন বিষয় নয় এবং আইনের অংশও নয়। মূলত: মজুরি ও সুযোগ সুবিধার বিষয়গুলোই ওয়েজবোর্ডের পালনীয় বিষয়।
সংবাদপত্রের ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক কিনা ?
শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী সরকারের গঠিত ওয়েজবোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের গেজেট নোটেফিকেশন দ্বারা জারিকৃত ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন বাধ্যতামুলক।
শ্রম আ্ইনের ১৪৮ ধারায় বলা হয়েছে- নিন্মতম মজুরি প্রত্যেক মালিকের ওপর অবশ্যিই পালনীয়।
“ধারা ১৪০ এর অধীন ঘোষিত অথবা ধারা ১৪৫ এর অধীন প্রকাশিত মজুরির নিন্মতম হার সংশ্লিষ্ট সকল মালিকের ওপর অবশ্য পালনীয় হইবে এবং প্রত্যেক শ্রমিক উত্তরূপ ঘোষিত বা প্রকাশিত মজুরির অন্যুন হারে মজুরি পাইতে অধিকারি হইবেন।”
১৪৯(১) এ বলা হয়েছে- “ কোন মালিক কোন শ্রমিককে এই অধ্যায়ের অধীন ঘোষিত বা প্রকাশিত নিন্মতম হারের কম হারে কোন মজুরি প্রদান করিতে পারিবে না।”
প্রসঙ্গ শ্রম আইনের ধারা-২(৭২) এ অনুযায়ী সাংবাদিকরা শ্রমিক শ্রেনীভূক্ত। বলা হয়েছে- “ ‘সংবাদপত্র শ্রমিক’ অর্থ কোন কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক শ্রমিক অথবা সংবাদপত্র ছাপাখানা শ্রমিক।”
৯ম সংবাদপত্র ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের গেজেটটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।
ওয়েজবোর্ড আলাদা কোন আইন ?
না, সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ আলাদা কোন আইন নয়। এটি বাংলাদেশ শ্রম আইন- ২০০৬ এর অধীনে গঠিত মজুরি কাঠামো। যার জন্য আইনের ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৬,১৪৭, ১৪৮ ও ১৪৯ প্রযোজ্য। আইনের একাদশ অধ্যায়টি শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড সম্পর্কিত। তবে ওয়েজবোর্ডের মজুরি নির্ধারণের যৌক্তিকতাসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি দেখানোর জন্য সংবাদপত্রের বিভিন্ন জনবলের পদ-পদবী, কাজ ও দায়িত্বের একটি সাধারণ বর্ণনা ওয়েজবোর্ডে দেয়া থাকে। বেশ কিছু সুপারিশও থাকে এতে । এগুলো কোন অবশ্য পালনীয় কোন বিষয় নয় এবং আইনের অংশও নয়। মূলত: মজুরি ও সুযোগ সুবিধার বিষয়গুলোই ওয়েজবোর্ডের পালনীয় বিষয়।
সংবাদপত্রের ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক কিনা ?
শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী সরকারের গঠিত ওয়েজবোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের গেজেট নোটেফিকেশন দ্বারা জারিকৃত ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন বাধ্যতামুলক।
শ্রম আ্ইনের ১৪৮ ধারায় বলা হয়েছে- নিন্মতম মজুরি প্রত্যেক মালিকের ওপর অবশ্যিই পালনীয়।
“ধারা ১৪০ এর অধীন ঘোষিত অথবা ধারা ১৪৫ এর অধীন প্রকাশিত মজুরির নিন্মতম হার সংশ্লিষ্ট সকল মালিকের ওপর অবশ্য পালনীয় হইবে এবং প্রত্যেক শ্রমিক উত্তরূপ ঘোষিত বা প্রকাশিত মজুরির অন্যুন হারে মজুরি পাইতে অধিকারি হইবেন।”
১৪৯(১) এ বলা হয়েছে- “ কোন মালিক কোন শ্রমিককে এই অধ্যায়ের অধীন ঘোষিত বা প্রকাশিত নিন্মতম হারের কম হারে কোন মজুরি প্রদান করিতে পারিবে না।”
প্রসঙ্গ শ্রম আইনের ধারা-২(৭২) এ অনুযায়ী সাংবাদিকরা শ্রমিক শ্রেনীভূক্ত। বলা হয়েছে- “ ‘সংবাদপত্র শ্রমিক’ অর্থ কোন কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক শ্রমিক অথবা সংবাদপত্র ছাপাখানা শ্রমিক।”
৯ম সংবাদপত্র ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের গেজেটটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।







Comments
Post a Comment